ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঘটনের বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ডের সবচেয়ে বড় চমক কারা পেনাল্টি গোলে নকআউটের আশা বাঁচিয়ে রাখল দক্ষিণ আফ্রিকা ড্রোন-কাণ্ডের ঘটনায় মুখ খুললেন দক্ষিণ কোরিয়া কোচ চ্যাটবট থেকে ‘এজেন্ট’: বদলে যাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জগৎ এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ ব্রিকসের বৈঠকে যোগ দিতে ভারতে যাচ্ছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সবাই একমত হয়েছে : ডা. জাহেদ সংসদে অটো পাসের সমালোচনা সংসদে অটো পাসের সমালোচনা রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষ না হলে কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে, প্রশ্ন আনু মুহাম্মদের মুক্তমত প্রকাশ–সংক্রান্ত ও গায়েবি মামলা ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রত্যাহারের আশা আইন উপদেষ্টার প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন রমজান উপলক্ষে আরটিভির হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার সিলেকশন রাউন্ড শেষ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিআরইউয়ের সাংবাদিকদের দ্রুত অ্যাক্রিডিটেশন প্রদানের আহ্বান অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ ‘বিটিভি নিউজ’র যাত্রা শুরু বিশ্বকাপ নিয়ে রিভালদোর সঙ্গে তর্কে জড়ালেন নেইমার
ad728

সেদিন রক্তের স্রোতে ভেসে গিয়েছিল আল নূর মসজিদ

রিপোর্টার: The Daily Moon
সেদিন রক্তের স্রোতে ভেসে গিয়েছিল আল নূর মসজিদ
ছবির ক্যাপশন: সেদিন রক্তের স্রোতে ভেসে গিয়েছিল আল নূর মসজিদ

১৫ মার্চ ২০১৯ দিনটি ছিলো শুক্রবার। নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা আদায় করছিলেন জুম্মার নামাজ। আল নূর মসজিদে প্রার্থনারত মুসল্লিদের ওপর অঝোরে গুলিবর্ষণ করেন শেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠতবাদী অস্ট্রেলিয়ান ব্রেন্টন ট্যারেন্ট। হামলা চলে লিনউড ইসলামিক সেন্টারেও। অকাতরে ঝরে যায় ৫১টি নিরীহ প্রাণ। সেদিন অল্পে বেঁচে যান দেশটিতে সফররত টাইগাররা। নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে ভয়াবহতম সে হামলার দুই বছর পূর্ণ হলো।

রক্তের স্রোতে লোহিত বর্ণ হয়ে যায় আল নুর মসজিদের জায়নামাজ। ভয়ঙ্কর, রোমহষর্ক, নারকীয় কিংবা ন্যাক্কারজনক; কোনো বিশেষণই যেনো যথেষ্ট নয়। শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদের বলি ৫ বাংলাদেশিসহ নিরীহ ৫১টি প্রাণ। মুসলিম বা অমুসলিমের নয়, প্রাণগুলো মানুষের।

অস্ট্রেলিয়ান ব্রেন্টন ট্যারেন্ট দু'হাতে সেমি অটোমেটিক রাইফেল আর শটগান নিয়ে চালায় বিকৃতমস্তিষ্কের এই নারকীয়তা। মসজিদের পর লিনউড ইসলামিক সেন্টারেও তার শিকার ৭ জন। এখানেই শেষ নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে ছিলেন পুরোটা সময়। তার গাড়িতে ছিলো অবিস্ফোরিত বোমাও। মৃতের সংখ্যা কোথায় গিয়ে ঠেকতে পারতো, তা ভেবে গা শিউরে উঠবে যে কোনো সুস্থ মানুষের।

অস্থির এই বিশ্বে অনেক দেশেই এমন পৈশাচিক ঘটনা ঘটে। তবে সেগুলোর চেয়ে আলাদা করে ভীতি ছড়িয়েছিলও ৫৬ হাজার বর্গমাইলে। ১৬ কোটি মানুষকে এক সুতোয় বাঁধেন যে ক্রিকেটাররা, তারা যে অল্পে বেঁচে ফিরেছেন সেদিন। দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে যাওয়া তামিম-মুশফিকরা জুম্মার নামাজ আদায়ের জন্য বাসে করে যাচ্ছিলেন আল নূর মসজিদে। তবে দেরি করে পৌঁছে টাইগারদের টিম বাস। ক্রিকেটারদের সেই আতঙ্কিত মুখগুলো এখনও স্মৃতিপটে এখনও অমলিন।

ক্রিকেটাররা আবারও কিউইদের দেশে। মাঝে কেটে গেছে ২টা বছর। তবে এখনও কাটেনি শোক। গ্রেফতার হয়েছে খুনি। যাবজ্জীবনের সাজা শুনিয়েছেন আদালত। তবে সন্তানহারা বুকগুলোয় এখনও প্রতিধ্বনিত হয় মহাকালের হাহাকার। তাসমান সাগরের ঢেউগুলোও আছড়ে পড়ছে নিরন্তর। জেনো ধরিত্রীর পায়ে ধরে করছে অনুরোধ, ধর্ম-বর্ণের ভেদভুলে মানবপ্রেমই হোক শ্রেষ্ঠত্ববাদের একমাত্র মানদণ্ড।

রক্তের স্রোতে লোহিত বর্ণ হয়ে যায় আল নুর মসজিদের জায়নামাজ। ভয়ঙ্কর, রোমহষর্ক, নারকীয় কিংবা ন্যাক্কারজনক; কোনো বিশেষণই যেনো যথেষ্ট নয়। শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদের বলি ৫ বাংলাদেশিসহ নিরীহ ৫১টি প্রাণ। মুসলিম বা অমুসলিমের নয়, প্রাণগুলো মানুষের।

অস্ট্রেলিয়ান ব্রেন্টন ট্যারেন্ট দু'হাতে সেমি অটোমেটিক রাইফেল আর শটগান নিয়ে চালায় বিকৃতমস্তিষ্কের এই নারকীয়তা। মসজিদের পর লিনউড ইসলামিক সেন্টারেও তার শিকার ৭ জন। এখানেই শেষ নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে ছিলেন পুরোটা সময়। তার গাড়িতে ছিলো অবিস্ফোরিত বোমাও। মৃতের সংখ্যা কোথায় গিয়ে ঠেকতে পারতো, তা ভেবে গা শিউরে উঠবে যে কোনো সুস্থ মানুষের।

অস্থির এই বিশ্বে অনেক দেশেই এমন পৈশাচিক ঘটনা ঘটে। তবে সেগুলোর চেয়ে আলাদা করে ভীতি ছড়িয়েছিলও ৫৬ হাজার বর্গমাইলে। ১৬ কোটি মানুষকে এক সুতোয় বাঁধেন যে ক্রিকেটাররা, তারা যে অল্পে বেঁচে ফিরেছেন সেদিন। দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে যাওয়া তামিম-মুশফিকরা জুম্মার নামাজ আদায়ের জন্য বাসে করে যাচ্ছিলেন আল নূর মসজিদে। তবে দেরি করে পৌঁছে টাইগারদের টিম বাস। ক্রিকেটারদের সেই আতঙ্কিত মুখগুলো এখনও স্মৃতিপটে এখনও অমলিন।

ক্রিকেটাররা আবারও কিউইদের দেশে। মাঝে কেটে গেছে ২টা বছর। তবে এখনও কাটেনি শোক। গ্রেফতার হয়েছে খুনি। যাবজ্জীবনের সাজা শুনিয়েছেন আদালত। তবে সন্তানহারা বুকগুলোয় এখনও প্রতিধ্বনিত হয় মহাকালের হাহাকার। তাসমান সাগরের ঢেউগুলোও আছড়ে পড়ছে নিরন্তর। জেনো ধরিত্রীর পায়ে ধরে করছে অনুরোধ, ধর্ম-বর্ণের ভেদভুলে মানবপ্রেমই হোক শ্রেষ্ঠত্ববাদের একমাত্র মানদণ্ড।

ad728
মন্তব্য করুন
ad300