ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঘটনের বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ডের সবচেয়ে বড় চমক কারা পেনাল্টি গোলে নকআউটের আশা বাঁচিয়ে রাখল দক্ষিণ আফ্রিকা ড্রোন-কাণ্ডের ঘটনায় মুখ খুললেন দক্ষিণ কোরিয়া কোচ চ্যাটবট থেকে ‘এজেন্ট’: বদলে যাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জগৎ এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ ব্রিকসের বৈঠকে যোগ দিতে ভারতে যাচ্ছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সবাই একমত হয়েছে : ডা. জাহেদ সংসদে অটো পাসের সমালোচনা সংসদে অটো পাসের সমালোচনা রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষ না হলে কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে, প্রশ্ন আনু মুহাম্মদের মুক্তমত প্রকাশ–সংক্রান্ত ও গায়েবি মামলা ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রত্যাহারের আশা আইন উপদেষ্টার প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন রমজান উপলক্ষে আরটিভির হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার সিলেকশন রাউন্ড শেষ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিআরইউয়ের সাংবাদিকদের দ্রুত অ্যাক্রিডিটেশন প্রদানের আহ্বান অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ ‘বিটিভি নিউজ’র যাত্রা শুরু বিশ্বকাপ নিয়ে রিভালদোর সঙ্গে তর্কে জড়ালেন নেইমার
ad728

রাস্তা ছাড়াই দুটি সেতু, যা জানা যাচ্ছে

রিপোর্টার: The Daily Moon
রাস্তা ছাড়াই দুটি সেতু, যা জানা যাচ্ছে
ছবির ক্যাপশন: রাস্তা ছাড়াই দুটি সেতু, যা জানা যাচ্ছে

রাস্তা নেই, আছে দুটি সেতু। হা ঠিক এমন ঘটনার সাক্ষী হয়ে আছে টাঙ্গাইলের ফলদা ইউনিয়ন। টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ফসলি জমির মাঝখানে রাস্তা ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে দাঁড়িয়ে আছে দুটি সেতু। ফলদা ইউনিয়নের ফলদা দক্ষিণ পাড়া এলাকায় রাস্তা ছাড়াই নির্মিত হয়েছে একটি সেতু। এ ছাড়া একই রাস্তার দিঘুলিয়াপাড়া এলাকায় আরেকটি সেতু রাস্তা ছাড়া দাঁড়িয়ে আছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর জানান, কৃষিপণ্য পরিবহন ও এলাকা মানুষের যাতায়াতের জন্য সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। উপজেলার ফলদা দক্ষিণপাড়া থেকে ফলদা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ রাস্তায় চলাচলের জন্য এটি নির্মাণ করা হয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের সেতু-কালভার্ট কর্মসূচির আওতায় ১৬ ফুট দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণে ১১ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ টাকা ব্যয় হয়। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে নির্মিত হওয়া সেতুটির দুই পাশে এখনো কোনো রাস্তা নির্মাণ করা হয়নি। ফলে সেতুটি ওই অঞ্চলের মানুষের চলাচলের কোনো কাজেই আসছে না।

দিঘুলিয়াপাড়ায় রাস্তা ছাড়া দাঁড়িয়ে আছে সেতুটি

তবে দিঘুলিয়াপাড়ার আরেকটি সেতুর তথ্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের কাছে জানতে চাইলে তারা তা দিতে পারেনি।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন আগে সেখানে সেতু নির্মাণ করা হলেও এখন পর্যন্ত রাস্তা তৈরি করা হয়নি। ফলে সেতুটি অকেজো পড়ে আছে। এ ছাড়া সেতুর দুই পাশের অ্যাপ্রোচেও মাটি ফেলা হয়নি। এতে ভ্যান বা সাইকেল নিয়ে সেতু পারাপার করা যায় না। এ ছাড়া দিঘুলিয়াপাড়া এলাকায় আরেকটি সেতুর দুই পাশে মাটি ফেলা হয়নি। রাস্তাও নেই দুই পাশে।

উপজেলার ফলদা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সাইদুল ইসলাম তালুকদার দুদু বলেন, সেতুর দুই পাশের রাস্তা নির্মাণের জন্য প্রকল্প তৈরি হলেও স্থানীয়দের, বিশেষ করে সেখানকার জমিদাতারা মাটি না দেওয়ায় রাস্তা করা সম্ভব হয়নি। আবার রাস্তা নির্মাণ বন্ধে সেখানকার মানুষজন আদালত থেকেও নিষেধাজ্ঞার আদেশ নিয়ে আসেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, সেতুর দুপাশে রাস্তা ছিল। তবে রাস্তাটি দেবে গেছে। পুনরায় সেখানে রাস্তা তৈরিতে প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। দ্রুত সেতুর রাস্তা তৈরির কাজ শুরু করা হবে।

ad728
মন্তব্য করুন
ad300