ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঘটনের বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ডের সবচেয়ে বড় চমক কারা পেনাল্টি গোলে নকআউটের আশা বাঁচিয়ে রাখল দক্ষিণ আফ্রিকা ড্রোন-কাণ্ডের ঘটনায় মুখ খুললেন দক্ষিণ কোরিয়া কোচ চ্যাটবট থেকে ‘এজেন্ট’: বদলে যাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জগৎ এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ ব্রিকসের বৈঠকে যোগ দিতে ভারতে যাচ্ছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সবাই একমত হয়েছে : ডা. জাহেদ সংসদে অটো পাসের সমালোচনা সংসদে অটো পাসের সমালোচনা রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষ না হলে কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে, প্রশ্ন আনু মুহাম্মদের মুক্তমত প্রকাশ–সংক্রান্ত ও গায়েবি মামলা ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রত্যাহারের আশা আইন উপদেষ্টার প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন রমজান উপলক্ষে আরটিভির হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার সিলেকশন রাউন্ড শেষ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিআরইউয়ের সাংবাদিকদের দ্রুত অ্যাক্রিডিটেশন প্রদানের আহ্বান অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ ‘বিটিভি নিউজ’র যাত্রা শুরু বিশ্বকাপ নিয়ে রিভালদোর সঙ্গে তর্কে জড়ালেন নেইমার
ad728

বন্ধ ক্যাম্পাসেই হচ্ছে ভিসি নিয়োগ, সনদ দেয়া হচ্ছে পরীক্ষা ছাড়াই

রিপোর্টার: The Daily Moon
বন্ধ ক্যাম্পাসেই হচ্ছে ভিসি নিয়োগ, সনদ দেয়া হচ্ছে পরীক্ষা ছাড়াই
ছবির ক্যাপশন: বন্ধ ক্যাম্পাসেই হচ্ছে ভিসি নিয়োগ, সনদ দেয়া হচ্ছে পরীক্ষা ছাড়াই

রাউফুল আলম: দেশের ইউনিভার্সিটি এবং অন‍্যান‍্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এক বছরের বেশি সময় বন্ধ। শিক্ষা কার্যক্রম ফ্রোজেন হয়ে আছে। দেশে শুধু পাবলিক বিশ্ববিদ‍্যালয়ের শিক্ষক আছে সাত-আট হাজার। তাদের দশ ভাগ শিক্ষকও কি এই অবস্থা নিয়ে জাতীয় দৈনিকগুলোতে লিখেছে? কিভাবে এই অবস্থা থেকে বের হওয়া যায় সেটা নিয়ে পরিকল্পনা করে সরকারকে জমা দিয়েছে?

ভিসি নিয়োগ চলছে। প্রোভিসি নিয়োগ চলছে। প্রক্টর নিয়োগ চলছে। প্রশাসনিক নিয়োগ চলছে। শুধু বন্ধ হয়ে আছে তরুণদের শিক্ষা। যথারীতি পরীক্ষা ছাড়াই আমরা সার্টিফিকেট দিয়েছি।

মহামারিতে সারা দুনিয়াতেই ছেলে-মেয়েরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। কিন্তু আমাদের শিক্ষা তো পুরোপুরি বন্ধ হয়ে আছে। মাথাব‍্যথাও নাই। দেশের ভিসিরা একত্রিত হতে পারতো। দশটা মিটিং করতে পরতো। পাঁচটা প্ল‍্যান সরকারকে জমা দিতে পারতো। দেশে যে এক্সাম সেন্টার গড়ে তোলা কতো জরুরি, এটা এখনো উপলব্ধি করতে দেখছি না।

দেশের শিক্ষা নিয়ে কি রিক্সাওয়ালা কথা বলবে? শ্রমিকরা কথা বলবে? গার্মেন্টস কর্মীরা, ব‍্যাংকার, পুলিশরা কথা বলবে? দেশের শিক্ষা নিয়ে কথা বলবে শিক্ষকরা। এবং বিশ্ববিদ‍্যালয়ের শিক্ষকরা। তাদের সম্মলিতি প্রচেষ্টা তো দূরের কথা, টেন পার্সেন্ট শিক্ষকের কোন সম্মিলিত ভয়েস নেই। হোয়াট এ পিটি!

এই যে লক্ষ লক্ষ ছেলে-মেয়ে ঘরে বসে মগজে জং ধরাচ্ছে— সেটার জন‍্য সমাজকে অনেক ক্ষতির মধ‍্য দিয়ে যেতে হবে। The nation has to pay for this! (ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

লেখক: বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান গবেষক

ad728
মন্তব্য করুন
ad300