ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঘটনের বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ডের সবচেয়ে বড় চমক কারা পেনাল্টি গোলে নকআউটের আশা বাঁচিয়ে রাখল দক্ষিণ আফ্রিকা ড্রোন-কাণ্ডের ঘটনায় মুখ খুললেন দক্ষিণ কোরিয়া কোচ চ্যাটবট থেকে ‘এজেন্ট’: বদলে যাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জগৎ এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ ব্রিকসের বৈঠকে যোগ দিতে ভারতে যাচ্ছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সবাই একমত হয়েছে : ডা. জাহেদ সংসদে অটো পাসের সমালোচনা সংসদে অটো পাসের সমালোচনা রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষ না হলে কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে, প্রশ্ন আনু মুহাম্মদের মুক্তমত প্রকাশ–সংক্রান্ত ও গায়েবি মামলা ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রত্যাহারের আশা আইন উপদেষ্টার প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন রমজান উপলক্ষে আরটিভির হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার সিলেকশন রাউন্ড শেষ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিআরইউয়ের সাংবাদিকদের দ্রুত অ্যাক্রিডিটেশন প্রদানের আহ্বান অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ ‘বিটিভি নিউজ’র যাত্রা শুরু বিশ্বকাপ নিয়ে রিভালদোর সঙ্গে তর্কে জড়ালেন নেইমার
ad728

বিজয় দিবসকে স্বাধীনতা দিবস বলল হাবিপ্রবি

রিপোর্টার: The Daily Moon
বিজয় দিবসকে স্বাধীনতা দিবস বলল হাবিপ্রবি
ছবির ক্যাপশন: বিজয় দিবসকে স্বাধীনতা দিবস বলল হাবিপ্রবি

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ওয়েবসাইটে ১৬ ডিসেম্বরকে বিজয় দিবস হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। গতকাল বুধবার (০৯ ডিসেম্বর) তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচি নিয়ে আপলোডকৃত নোটিশ বোর্ডের হেডলাইনে এমন চিত্র দেখা গেছে।

এদিকে নোটিশটি আপলোডের কিছুক্ষণের মধ্যেই সমাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক হারে বিষয়টির একটি স্ক্রিনশট ভাইরাল হয়েছে। এছাড়া নোটিশে ‘গৃহীত’ শব্দের বানানও ভুল লেখা হয়েছে। ওয়েবসাইটের নোটিশ বোর্ডের ওই স্ক্রিনশটি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর ক্ষোভ প্রকাশ করেন হাবিপ্রবিসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

হাবিবুর রহমান মুন্না নামের এক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা এবং যোগ্যতা নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুললেও আমি মনে করি তাঁদের কাজের প্রতি উদাসীনতা সবচেয়ে বেশি।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা তাঁদের কাছে কোনো প্রয়োজনে গেলে ব্যাপক হয়রানির শিকার হয়। যে কাজে তাঁদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সে কাজ যথাযথভাবে পালন করলে শিক্ষার্থীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারত। প্রশাসনের এ দিকে কোনো নজরদারি না থাকায় তাঁদের কাজের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং উদাসীনতা প্রকট আকার ধারণ করছে। আর সাধারণ শিক্ষার্থীরা হচ্ছে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার।

মাসুদ রানা নামের আরেক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে এরকম ভুল হওয়াটা খুবই দুঃখজনক। ভুলকে ভুল না মনে করলে ভুল নিয়মে পরিণত হতে পারে।

তবে, আহসান নিরব নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, এটি নিছকই একটি ভুল মাত্র। এসব নিয়ে মাতামাতি না করে চলমান অন্যান্য সমস্যার উপর নজর দেওয়ার জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি সেলের প্রোগ্রামস টিমের সহকারী কম্পিউটার প্রোগ্রামার মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম জানান, আমরা বিকেলেই ব্যাপারটি জানতে পেরেছি। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঠিক করে দেয়া হবে। এটি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোন কারণ নেই।

ad728
মন্তব্য করুন
ad300